বড় ঘড়ির নীচে
দেবাশিস মৈত্র
বার্ডউইং


Converted to Unicode and Ebook made by - The Bookmakers
হাওড়া স্টেশনের বড় ঘড়ি। খুব কম যাত্রীই এই ঘড়িতে সময় দ্যাখে, অধিকাংশের কাছে ঘড়িটি হল দলবদ্ধ ট্রেনযাত্রার আগে একজোট হওয়ার উপযোগী চমৎকার এক মিলনস্থল। উনিশশো ছাব্বিশ সালে মাস লণ্ডন থেকে এনে বসানো হয়েছিল এই জোড়া ঘড়ি টুইন ক্লক। একটানা চুরাশি বছর ধরে নিখুঁত – সময় রাখার পর একদিন সন্ধ্যায় আচম্বিতে ঘড়িটি বন্ধ হয়ে যায়। পরের দিন কলকাতার একটিমাত্র খবরের কাগজে যে প্রতিবেদন ছাপা হয়েছিল, তাতে ঘড়ি খারাপ হওয়ার খবরটুকুই শুধু ছিল, কিন্তু সেই বিকল ঘড়ির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী জড়িত অন্য একটি ঘটনার হদিশ সাংবাদিক জানতে পারেননি।
কী সেই ঘটনা?
ঘড়ি বিকল হওয়ার সময়েই হাওড়া স্টেশনে ট্রেন থেকে নেমেছিল ট্রেকিং-ফেরত ছয় তরুণ-তরুণী। ভিড় এড়ানোর জন্য স্টেশন থেকে বেরোনোর পরিচিত রাস্তাগুলি পরিহার করে তারা বেছে নিয়েছিল অন্য এক জনশূন্য পথ। বড় ঘড়ি খারাপ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হাওড়া স্টেশনে সময় যে ক্ষণিকের জন্য থমকে দাঁড়িয়ে পড়েছে, এবং তার ফলে স্পেস-টাইম কন্টিনিউয়ামের নিরেট প্রাচীরের এক জায়গায় দেখা দিয়েছে অদৃশ্য একটি ফাটল, সেকথা না-জেনেই তারা স্টেশন ছেড়ে বেরোল। কে জানত এই সামান্য অজ্ঞানতাটুকু এমন এক বিচিত্র পরিবেশে তাদের পৌঁছে দেবে, আর নিজেদের অজান্তেই তারা হয়ে উঠবে একদল টাইম ট্র্যাভেলার।
এই উপন্যাস বহু যুগ আগের এক অচেনা কলকাতায় ছয় অসহায় তরুণ-তরুণীর বিচিত্র অভিজ্ঞতা আর পুরোনো পৃথিবীতে ফিরে আসার জন্য তাদের মরিয়া চেষ্টার কাহিনি।
Not available for sale yet
The Bookmakers is not distributor of this ebook and not responsible for its availability


























